শিশু নির্যাতন, যৌতুক, রক্তদান করা, প্রাকৃতিক দুর্যোগে বা সামাজিক অন্যান্য সমস্যায়, মুসলিম হিসেবে এগিয়ে আসাটা কতটা জরুরী? রসুল্লুল্লাহ সালালাহু আলাইহিস সালাম কিশোর অবস্থায় ফিজারের যুদ্দ নাম একটি যুদ্ধ এ অংশগ্রহণ করেছিলেন। তার কয়েক বছর পর, কুরাইশের সম্ভ্ৰান্তদের ভিতর ফুযুলের চুক্তি একটি চুক্তি হয়। তিনি সেই চুক্তির ও অংশ ছিলেন। যার উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা এবং সুবিচার প্ৰতিষ্ঠা করা। আপাতত দৃষ্ট্রিতে এই কাজগুলো ধর্মীয় কাজ না এবং রসুল্লুল্লাহ সালালাহু আলাইহিস সালামও এগুলোতে অংশ নিয়েছিলেন নবুয়রত প্রাপ্তির বহু আগে,কিন্তু তিনি যখন নবী হয়ে গিয়েছিলেন তখনও তিনি এই উদ্যোগগুলোর কথা স্মরণ করে বলেছিলেন এই উদ্যোগগুলো মহৎ ছিল। এ থেকে স্কলারগুলো বিশ্লেষণ করে বলেন, সামাজিক কাজের সাথে যুক্ত হওয়াটা একজন মুসলমানের দায়িত্ব। আপনার অন্য ধর্মে বিশ্বাসী প্রতিবেশী যখন দেখবে আপনি সামাজিক সমস্যাগুলো নিয়ে ভাবেন, কাজ করেন, এটা কিন্তু তাকে একপ্রকার দাওয়াতও হয়ে যাচ্ছে। রসুল্লুল্লাহ সালালাহু আলাইহিস সালামের সামাজিক ভাবে একটিভ থাকাটা উনাকে সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করার পেছনের অনেক কারণের মধ্যে ...
সত্য বাণীসমূহ একসাথে উপস্থাপনের ক্ষুদ্র প্রয়াস