পাড়ি দিতে হবে নদী, পাড়ি দিতে হবে তার উত্থাল ঢেউ
যাবো বন্ধুকে নিয়ে কোনো এক গন্তব্যে,
কিন্তু নদীর এধারে ওধারে কিছু নেই
মনে শংকা পাড়ি দিবো নদী কিভাবে?
দিতে হবে নদী পাড়ি, ওপাড়েতে আনন্দ আর সুখ করে জড়াজড়ি
কেটে যাবে শঙ্কা ওপাড়েতে গেলে, হাজারো বিপদ আর ভয়
দেয় হাতছানা এপাড়েতে থাকলে।
নদী পার হবার বিশাল চ্যালেঞ্জে জোগাড় হলো কিছু কাঠ,
বানাতে হবে ভেলা, কিন্তু কাঠ জোগাড় করতে গিয়েই নেমে পড়লো সন্ধ্যার অবসাদ।
শীতের সন্ধ্যা,অন্ধকার, কুয়াশার প্রলেপ ঝাঁকিয়ে নেমেছে শীত
অন্ধকার কাটিয়ে ভোরের আলোয় পার হবো করলেন তা ঠিক,
প্রচণ্ড শীতে কাঠ জ্বালিয়ে নিজেদেরকে উষ্ণ রাখার চেষ্টা
দুজনেই আলাদা আলাদাভাবে কিছু কাঠে আগুন ধরিয়ে ভোর হবার প্রচেষ্টা।
শীতের দিনে আগুনের উষ্ণতায় ভালো লাগছে দুই বন্ধুর
আহা! কী তৃপ্তির জীবন! এভাবেই তো চালিয়ে দেয়া যাবে বহুদিন।
উষ্ণতার লোভে বন্ধু আমার সকল কাঠকে দেয় বিসর্জন,
কালকের নদীর পাড়ি দিতে হবে ভুলে উপভোগ করতে থাকে আগুনের উষ্ণ আলিঙ্গন।
এক কোণায় অল্প কাঠে জ্বলছে আমার আগুন পাচ্ছি মৃদু উষ্ণতা
ভোর হলেই পাড়ি দিতে হবে নদী এই কাঠগুলো ছাড়া উপায় কি করছি আমি সেই চিন্তা।
ঢেউয়ের তর্জনে সকালে ঘুম ভাঙলো দুজনের,দেখলাম বন্ধুর কাঠের পরিমাণ শূন্য
রাতের উষ্ণতার সুখ বর্জন করে এখন ভেলা বানানোর কাঠ রাখতে পেয়ে আমি ধন্য।
বাঁচিয়ে রাখা কাঠগুলো দিয়ে ভেলা বানিয়ে চলা শুরু করলাম ওপারে
বন্ধু আমার রাতের ক্ষীণ সুখের জন্য কাঠ বিসর্জন দিয়ে ঠুকরে ঠুকরে মরে।
মূল লেখা: আরিফ আজাদ
মূলপোস্ট: https://www.facebook.com/share/p/yjv94o3KQ1wfdx7U/

Comments
Post a Comment