সুখে সমৃদ্ধিতে ভরপুর এক কাল্পনিক দেশ নাম তার সাম্যতন্ত্র
সেখানে দেশ পরিচালিত হতে রয়েছে ইসলামী গণতন্ত্র।
সাম্যের দেশে সমতা করতে হবে গণভোট
কিন্তু সেই দেশের মানুষ যে ভাই মদকে বৈধ করতে একজোট।
ওই দেশে রয়েছে ইসলামী শরিয়াহ এবং তার সাথে জনগণের গণতন্ত্র
মদ তো শরিয়াহ বিরোধী কিন্তু জনগণ তো চায় সেটাই, অতএব সরকার বিভ্রান্ত।
তবে এ দেশে শরিয়াহ আগে, ইসলামের প্রতি তার প্রায়োর কমিটমেন্ট।
মদ এবং এরকম আরো কিছু বিষয়ে তার বিশ্বাস ও অবস্থান অপরিবর্তনীয়
তাই মেজরিটি মদ চাইলেও এখানে তা বর্জনীয় ইসলামী বিশ্বাসের তাদের কাছে বেশি প্রয়োজনীয়।
এবার একটু ঘুরে আসি মুদ্রার ওপর পিঠের আরেকটা কাল্পনিক দেশ থেকে
সাম্যতন্ত্র থেকে সেকুস্থান যারা সহিহ লিবারেল-সেক্যুলারিসমের রং মাখে।
সেকুস্থানেও সমতা করতে হলো গণভোট
ঘরের বাইরে নারীদের স্কার্ফ নিয়ে এখানে জনগণ হলো এক জোট।
এ দেশে লিবারেলিসম আগে,তার প্রতি তার প্রায়োর কমিটমেন্ট,
পর্দা এবং এরকম আরো কিছু বিষয়ে তার বিশ্বাস ও অবস্থান অপরিবর্তনীয়।
তাই এখানেও মেজরিটি পেলো না পাত্তা, জনগণই সব বলা রাষ্ট্র সে দুষ্টু প্ৰেতাত্মা,
জনগণ রায় দিলেই বা কি হবে ভাই, গ্রহণতো হবে না, লিবারেলিসমে পর্দা প্ৰতিষ্ঠা হবে না।
লিবারেল-সেক্যুলার সিস্টেম নয় নিরপেক্ষ, চলে না জনগণের অভিপ্রায়ে
ইহা পশ্চিমা সৃষ্ট পলিটিকাল এবং এথিকাল কনসেপ্ট,
ইহাকে দাবি করা হয় সার্বজনীন ও চিরন্তন যার বহি:আবরণ জনগণ নামক কনসেপ্ট দিয়ে আবৃত্ত।
অতএব ইসলামী শরীয়াহর সাথে তুলনা করে লিবারেল-সেক্যুলারকে উত্তম দেখতে গিয়ে বারবার শুধু জনগণ আর জনমতের কথা বলে।
কিন্তু আসলে সবার উপরে তাদের পশ্চিমা সৃষ্ট পলিটিকাল এবং এথিকাল কনসেপ্ট সত্য,
তাহার উপর কিছু নাই, জনগণ আর জনমতের ভাত নাই।
জনৈক এক “বৈপ্লবিক” ইন্টেলেকচুয়াল আশীর্বাদপুষ্ট কে করা হলো প্রশ্ন।
ইসলামিস্টরা যদি গণতন্ত্রের সাহায্যে ক্ষমতায় গিয়ে ইসলাম কায়েম করে,
তাহলে কি সেটা হবে লেজিটিমেট।
প্রশ্নের উত্তরে বলা হলো জরিটি ভোট মানেই গণতন্ত্র না, ইসলামের মধ্যে ফ্যাশিস্ট এলিমেন্ট আছে ওটা তারা কেন বাদ দেয় না!
অতএব লিবারেল-সেক্যুলারিসমের কেন্দ্রকে চিনতে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট বুঝতে হবে ভাই,
এক, লিবারেল-সেক্যুলারিসমের মৌলিক আকীদাহর বিরুদ্ধে গেলে জনঅবস্থান প্রত্যাখ্যাত, অবৈধ।
দুই, লিবা-সেক্যুরা ধর্মকে নিজের ইচ্ছে মতো পুনঃগঠন করতে চায়,
ইসলামে করিযে যোজন-বিয়োজন তাদের মৌলিক আকীদাহ যাহা চায়।
এখন এসবই ধ্রুব সত্য, আর বাকি সব অসহায়।
মূল লেখা: আসিফ আদনান

Comments
Post a Comment