জিবরীল আলাইহিস সালাম একবার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বললেন, ধ্বংস হোক সে। যে কিনা রমাদান পেলো কিন্তু তার গুনাহগুলোকে ক্ষমা করিয়ে নিতে পারল না। বলুন আমিন। আল্লাহ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন আমিন। সেই বরকতময় মাসের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আমরা। কে জানে আমার আপনার তওবা আল্লাহ কবুল করলেন কিনা। ভয় হয়। কিন্তু তবুও আশায় বুক বাঁধি। তিনি যে আমাদেরকে বাবা আমার চাইতেও বেশি ভালবাসেন। ভালোবেসে আমাদের হৃদপিণ্ডকে চলমান থাকার হুকুম দেন। যেন আমরা তার দিকে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পাই। মাঝেমধ্যে মনে হয় যদি নিশ্চিত হয়ে জানতে পারতাম আল্লাহ আমার রমাদান কবুল করলেন কিনা। যদিও সম্পূর্ণ নিশ্চয়তা তো আল্লাহ ছাড়া কেউ দিতে পারবেন না। কিন্তু স্কলাররা বলেন, রমজান মাসে আমাদের এই ইবাদাতগুলো কবুল হয়েছে কিনা এর একটা দর্শন আছে। রমাদানের পরেও যদি ভাল কাজগুলো করে যেতে পারি। বা যে হারাম কাজ রমাদানে ছেড়ে দিয়েছিলাম তা থেকে দূরে থাকতে পারি। তবে খুব জোর সম্ভাবনা আমাদের রহমত দান আল্লাহ কবুল করেছেন ইনশাআল্লাহ। ভালো কাজ ধরে রাখার ক্ষেত্রে আমাদের অনুপ্রেরণা হতে পারে সেই হাদীস, যেখানে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর কাছে সেই ইবাদত সবচেয়ে পছন্দের যা নিয়মিত করা হচ্ছে যদিও বা তা সংখ্যায় কম হয়। আর রমাদানে ছাড়তে পারা খারাপ কাজগুলোর ক্ষেত্রে আমরা মনে রাখতে পারি রমাদানে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আমরা হালাল কাজগুলোকেই দিনের বেলা বন্ধ রেখেছিলাম। আর সেই একই সত্ত্বা যিনি আমাকে এত ভালোবেসে তৈরি করেছেন প্রতিনিয়ত ক্ষমা করার সুযোগ দিয়ে যাচ্ছেন। তার রহমতের সাগরে ভাসছেন। তার সন্তুষ্টির জন্যই কি হারাম কাজ ছাড়তে পারবো না? পুরো রমজান মাসজুড়ে আমরা অনেকগুলো ছোট ছোট পরিবর্তনের কথা বলেছি, সবগুলো সবার পক্ষে করা সম্ভব নয়। কিন্তু আমরা এই থেকে যদি কয়েকটা বাছাই করে সেগুলোকে অভ্যাসে পরিণত করতে পারি। ইনশাআল্লাহ। সেই ছোট পদক্ষেপগুলো হয়তো আমাদের জান্নাতে যাওয়ার কারণ হয়ে যেতে পারে। আল্লাহ আমাদের সকলের রমাদানকে কবুল করুক। আমিন।
মূল: Baseera
তথ্যসুত্র: https://www.youtube.com/watch?v=kCb9YJzEKDM

Comments
Post a Comment