২য় পারার শেষদিকের দুইটি ঘটনা
প্রথম ঘটনা হচ্ছে ওই সম্প্রদায়ের, যারা প্লেগ মহামারি থেকে বাঁচার জন্য ঘরবাড়ি ছেড়ে পলায়ন করেছিল। কিন্তু এতে তারা মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে পারেনি। এ ঘটনা থেকে আমরা শিক্ষা পাই যে, মানুষের কোনো চেষ্টা-প্রচেষ্টাই তাকে তাকদিরের ফয়সালা থেকে বাঁচাতে পারে না।
দ্বিতীয় ঘটনা বনি ইসরাইল ও হজরত তালুতের, যার নেতৃত্বে জিহাদের গুণাবলিতে পরিপূর্ণ ছোট্ট দল অনেক বড় বাহিনীকে পরাজিত করেছিল। এই ঘটনা শুধু বনি ইসরাইলের কিছু বিশেষ ব্যক্তিই জানত। উম্মি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখে ইতিহাসের এই বিস্মৃত দাস্তানের বর্ণনা দেওয়াই বলে দেয় যে, তার সম্পর্ক সে মহান সত্তার সাথে, যার দৃষ্টি থেকে ইতিহাসের সামান্য থেকে সামান্যতর বিষয়ও এড়িয়ে যেতে পারে না।
রিসালাত ও নবুওয়াত এবং রাসুল ও নবীঃ
সুরা বাকারায় শরিয়তের নবুওয়াত ও রিসালাতের ব্যাপারে সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে। এখানে তৃতীয় পারায় বিভিন্ন নবীকে যেসব বৈশিষ্ট্য প্রদান করা হয়েছিল তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ
কোনো নবীকে নেতৃত্ব প্রদান করা হয়েছিল। কোনো নবীকে কোনো মাধ্যম ছাড়াই আল্লাহর সাথে কথোপকথনের মর্যাদা প্রদান করা হয়েছিল। আবার কোনো নবীকে সুষ্পষ্ট মুজিজার মাধ্যমে সমর্থন করা হয়েছে। নবীগণ মহা মর্যাদার অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও সকলে একই পর্যায়ের ছিলেন না।
যেমনিভাবে নবীগণের একজনের উপর অন্যজনের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে, তেমনি তাদের উম্মতদেরও একের উপর অন্যের শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে। যেহেতু বহু বৈশিষ্ট্য ও গুনের কারণে আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকল নবীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ; তাই তার উম্মতও অন্যান্য উম্মতের তুলনায় শ্রেণী
আয়াতুল কুরসি বা শ্রেষ্ঠ আয়াতঃ
সুরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াতে আয়াতুল কুরসি বা শ্রেষ্ঠ আয়াত উল্লেখ করা হয়েছে , যাতে পঞ্চাশটি শব্দ এবং দশটি বাকা রয়েছে, যাতে সুস্পষ্ট ও পরোক্ষভাবে সতেরোবার আল্লাহর আলোচনা এসেছে।
বইঃ খোলাসাতুল কোরআন (পবিত্র কোরআনের মর্মকথা)
লেখকঃ মাওলানা মুহাম্মদ আসলাম শেখোপুরী রহমাতুল্লাহ
অনুবাদঃ মুজাহিদুল মাইমুন
পৃষ্ঠাঃ ৪৪-৪৫
Comments
Post a Comment