তৃতীয় পারার নবম রুকু থেকে সুরা আলে ইমরান শুরু হচ্ছে। এটি মাদানি সুরা। এ সুরায় ইমরান আলাইহিস সালামের বংশধরের আলোচনা এসেছে, তাই একে আলে ইমরান বলা হয়। সুরার ফজিলত সম্পর্কে আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "আমি রাসুল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তোমরা দুই উজ্জ্বল সুরা তথা বাকারা ও আলে ইমরান পাঠ করো।" (সহিহ মুসলিম)
যোগসূত্রঃ
এই দুই সুরার বিষয়বস্তুর মধ্যে কী আশ্চর্য মিল! নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সুরাদুটোকে দুটি আলো (সূর্য ও চন্দ্র) বলেছেন, যার দ্বারা উভয় সুরার সাযুজ্যের বিষয়টি স্পষ্ট হয়। এ দুই সুরায় আহলে কিতাব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। তবে সুরা বাকারার অধিকাংশ আলোচনা ইহুদিদের সম্পর্কে ছিল আর সুরা আলে ইমরানে মৌলিকভাবে খ্রিষ্টানদের সম্বোধন করা হয়েছে।
তাওহিদ ও ইসলামঃ
তাওহিদ ও ঈমানের দলিল-প্রমাণ সুস্পষ্ট। একমাত্র অন্ধ মানুষেরাই তা অস্বীকার করতে পারে। স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা, তার পবিত্র ফেরেশতা এবং আলেমগণও তাওহিদের সাক্ষ্য দেন। যেমনিভাবে আল্লাহ তায়ালা তাওহিদের সাক্ষ্য দেন তেমনি তিনি এ কথার সাক্ষ্য দেন যে, তার নিকট একমাত্র পছন্দনীয় ধর্ম হচ্ছে ইসলাম। ইহুদি-খ্রিষ্টানরা শুধু হঠকারিতাবশতই এ ধর্মের সত্যতার ব্যাপারে ঝগড়া-বিবাদ করে থাকে।
বইঃ খোলাসাতুল কোরআন (পবিত্র কোরআনের মর্মকথা)
লেখকঃ মাওলানা মুহাম্মদ আসলাম শেখোপুরী রহমাতুল্লাহ
অনুবাদঃ মুজাহিদুল মাইমুন
পৃষ্ঠাঃ ৫০-৫১
Comments
Post a Comment